সারাদিন রোদেভরা ঝলমলে দিন ছিল আজ। সন্ধ্যার আঁধার ঘনিয়ে উঠতে সহসা আকাশ কালো করে বৃষ্টি এলো ঝমঝমিয়ে। দুদিন আগে হঠাৎই লণ্ডন থেকে কণিষ্ক এসে হাজির হয়েছিল তার ইউনির্ভাসিটির প্রোজেক্ট সমাপ্ত করে। এখানকার উল্লেখযোগ্য ট্যুরিস্ট স্পটগুলো যাতে আমাদের ঠিকঠাক মতো দেখা হয় সেই জন্যই নাকি দিদিভাইকে বিশেষভাবে সাহায্য করতে আসা তার। কিন্তু হলোকস্ট মিউজিয়াম দেখার পরেই সে অন্য প্রস্তাব করে বসলো–
মেসো, চলো কাল আমরা ব্রেস্ট থেকে ঘুরে আসি!
কী আছে সেখানে?
সেখানকার ‘ওশেনোপলিস অ্যাকুয়ারিয়াম’ খুব ফেমাস! এক হাজারের ওপরে স্পিশিস রয়েছে! আমার ফ্রেঞ্চ বন্ধু জেভিয়ার ডুর্যান্টের বাড়ি সেখানে। লন্ডন থেকে পরশু আমরা একসঙ্গেই এসেছিলাম। ওকে আমি কথা দিয়েছি, অ্যাকুয়ারিয়াম দেখতে ব্রেস্টে যাবো! ও ওয়েট করবে স্টেশনে!
এখান থেকে কতদূর হবে সেটা?
৪৯৫ কিলোমিটার। ট্রেনে করে মাত্রই চার পাঁচ ঘন্টা লাগবে যেতে।
পাপান আমি বুঝতে পারছি, তুমি জেভিয়ারদের ওখানে যাওয়ার জন্যই এসেছো, তাই তো? শুচির গলায় শাসনের সুর ঝাঁজালো হলো।
না না দিদিভাই, শুধু তাই নয়! আমি তোমাকেও হেলপ করতে এসেছি!
তাহলে ওখানে যাওয়াটা ক্যান্সেল করো!
সেটা কী করে হবে? আমি ওকে কথা দিয়েছি তো!
ব্রেস্ট উত্তরপশ্চিম ফ্রান্সের ব্রিটানি প্রদেশের বিখ্যাত শহর। আটলান্টিকের ইংলিশ চ্যানেলের কাছে অবস্থিত। রোমান সংস্কৃতির পাশাপাশি অ্যাংলো-স্যাক্সন সংস্কৃতির প্রভাব এখানে নিবিড়। বন্ধুকে দেওয়া কথা রাখতেই বাধ্য হয়ে একা যেতে দিতে হয়েছে কণিষ্ককে। আজ রাত ন’টায় ফিরে আসার কথা। এগারোটা পেরিয়ে যেতে দেখা না মেলায় বুকের ভেতর অস্বস্তির পাহাড় ভাঙছিল। ফোন করে না পাওয়ায় উদ্বেগের পাহাড় যখন উঁচু হচ্ছিলো ক্রমাগত ঠিক তখনই টেক্সট ম্যাসেজটা এলো-
ফ্লাইট চার ঘন্টা দেরিতে ছেড়েছে! রাত একটার আগে আসতে পারছি না! গেটে এসে ফোন করবো!
শুচি সঙ্গে সঙ্গেই বালিশে মাথা গুঁজে দিতে দিতে বললো-
মামণি এবার তুমি ঘুমোও, আমাকেও ঘুমোতে দাও! পাপানের আসতে এখনো এট লিস্ট দু’তিন ঘন্টা বাকী! এসে ফোন করলে তখন উঠো!
তুই ঘুমো।
কেন, তুমি ঘুমোবে না? কাল কিন্তু লং জার্নি রয়েছে! দু জায়গায় যেতে হবে, মনে আছে তো? ব্রেকফাস্ট সেরেই বেরিয়ে পড়তে হবে! একদম দেরি করা চলবে না!
কাল আমাদের প্রথম গন্তব্য ‘আইফেল টাওয়ার’। তারপর ছয় ঘন্টার ট্রেন যাত্রায় ভূমধ্যসাগর তীরের সৈকত শহর সুন্দরী ‘নিসে’। দুটোর সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে ইতিহাস। অসংখ্য ঘটনার ওঠাপড়া। সুতরাং পর্যটকদের কাছে আইফেল টাওয়ার ও নিস দুটোই আকর্ষণীয় বিশেষভাবে। আইফেল টাওয়ারের উদ্বোধন হয় ১৮৮৯ খ্রীষ্টাব্দে বিশ্বমেলা উপলক্ষে। গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি, অতুল প্রযুক্তি এবং শিল্পগৌরব বিশ্বের চোখে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলার জন্যই পৃথিবীর সর্বোচ্চ টাওয়ার নির্মাণের প্রয়োজন ছিল ফ্রান্সের। তাই ১৮৮৭-তে নির্মাণকাজ শেষ হলেও ১৮৮৯ সালে মনুমেন্টটি উন্মুক্ত করা হয়।
নিসেরও রয়েছে অনাদিকাল ধরে সৌন্দর্যের খ্যাতি। একদিকে বিস্তীর্ণ আলপ্স এবং পিরিনিস পর্বতমালা যেমন তাকে ঘিরে রয়েছে তেমনি রয়েছে সবুজের সমারোহ। রয়েছে বিচিত্র রঙের নুড়িপাথরে আবৃত সুবিস্তৃত সৈকতভূমি। আবার তারই সঙ্গে রোমান্টিকতার আবহ এনেছে ভূমধ্যসাগরের সুনীল জলরাশি। খ্রীষ্টপূর্ব ৩৬০ অব্দ থেকে ১৮৬০ খ্রীষ্টাব্দ পর্যন্ত নিসকে কেন্দ্র করে বহুজাতির যে সংঘাত আর শিক্ষাসংস্কৃতির ভাঙা গড়ার ইতিহাস, সেটাও বড় আকর্ষণীয় পর্যটকদের কাছে। ফরাসিদের কাছেও ৩০০ বছর ধরে ছুটি কাটানোর জন্য এই শহরই সবচাইতে জনপ্রিয়। সুতরাং এখানকার পর্যটনকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। সৃষ্টি হয়েছে হাজার হাজার নতুন চাকরি। নতুন নতুন বাড়িঘর। ক্রমান্বয়েই তাই বৃদ্ধি পাচ্ছে এখানকার অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা।
শিন নদীর ব্রিজে ওঠার আগেই ১০৬৩ ফুট উঁচু আইফেল টাওয়ার নজর কেড়ে নিলো আমাদের। মিনিভ্যান ড্রাইভার ব্রিজ পেরিয়ে একপাশে পার্ক করতে করতে বললো-
তোমাদের এখন ডানদিকের রাস্তা দিয়ে খানিকটা হেঁটে রোড ক্রস করে টাওয়ারের দিকে যেতে হবে। এটা ওয়ান ওয়ে, গাড়ি ওদিকটায় যাবে না।
ভাড়া মিটিয়ে হাঁটা শুরু হলো। নদীর এপাশে অনেক দোকানপাট। সামনে ট্যুরিস্টদের ভিড়ভাট্টা। ক্রুজ ট্যুর চলছে শিন নদীর বুকে। ইউরোপের প্রায় সব নদীই দু’পাশ দিয়ে বাঁধানো। সম্ভবত নদীর ভাঙন ঠেকাতেই এমন ব্যবস্থা হয়ে থাকবে। কণিষ্কর গলায় উৎসাহ গড়ালো এবার-
মামণি তাহলে চলো, আগে ক্রুজ ট্যুরটা সেরে নিই! পুরো প্যারিস শহরটা ঘুরে দেখা যাবে!
আজ আবার ক্রুজ ট্যুর কিসের? তোদের ওখানে টেমস নদীতে ঘুরেও তো শহর দেখা হলো।
হ্যাঁ সেটা এক রকম ছিল, এটা আরেক রকম হবে, যদি প্যারিসকে ভালোভাবে দেখতে চাও!
কিচ্ছু আরেক রকম হবে না পাপান! আমাদের অন্য প্রোগ্রাম রয়েছে! আগে ‘আইফেল টাওয়ার’ ঘুরে আসতে হবে! তারপর নিসের জন্য ট্রেন স্টেশনে, রিমেম্বার?
কিন্তু দিদিভাই, মেসোর তো ইচ্ছে থাকতে পারে?
মেসো, তুমি কি ক্রুজ ট্যুর নিতে চাও?
শুচির প্রশ্নে উত্তরে ঘাড় কাত করে মেসো ইঙ্গিত করে কী বোঝালো কে জানে। কথা না বাড়িয়ে শুচিও পা বাড়ালো আইফেল টাওয়ারের দিকে।
১০৮ তলার মনুমেন্টে ১৭৭০টি সিঁড়িসহ তিনটি এলিভেটর রয়েছে। ওয়েবসাইট থেকে আগেই টিকেট কাটা ছিল। অতএব ফার্স্ট ফ্লোরে টিকেটের জন্য না দাঁড়িয়ে এলিভেটর দিয়ে উঠে এলাম ওপরে। ছোট বড় নানা বয়সের দর্শকের ছড়াছড়ি ভেতরে। প্রতি বছর ৭০ লাখ পর্যটক ভিজিট করে প্যারিস মনুমেন্ট। প্রথমেই দৃষ্টি কেড়ে নিলো টাওয়াটির অনন্যসাধারণ দুর্দান্ত পরিকাঠামো! কী ভীষণ জটিল আর ম্যাসিভ এর গঠনবৃত্তান্ত! প্রায় দেড়শ বছর বয়স হলেও তারুণ্যে ভরপুর। অফুরন্তভাবে পরিপাটি! দারুণভাবে সতেজ ও ঝকঝকে! সবকিছু দেখতে দেখতে ভার্সাইল রাজপ্রাসাদের কথা মনে পড়ে গেলো। ফ্লোরগুলোতে বিরাট বিরাট জানালা। সেখান দিয়ে রিভার শিন, চারপাশের জনজীবন, গাছপালা সবই চোখে পড়ছে স্পষ্ট করে। প্রকৃতির স্বতঃস্ফূর্ত আলোর বন্যায় ভেসে যাচ্ছে ডানপাশের ঘরগুলো। দৃষ্টি পড়তেই নজরে এলো, পাশাপাশি দুটি ঘরের দরজায় লেখা- ‘স্যাণ্ডউইচ রুম। হট ড্রিংকস’।
মেসো, আমরা কিন্তু এখানেই লাঞ্চ করবো! কণিষ্কর অস্ফুট উচ্চারণ শোনা গেলো।
হ্যাঁ নিশ্চয়ই। দেখো কী পাওয়া যায়।
বিলটা আজ আমিই পে করবো!
ঘোষ হাসলো-
এখানে সবকিছুই খুব কস্টলি হবে! আগে তুমি বড় হও! পড়াশুনো শেষ করে জব টব পাও! তারপরে না হয় আমাদের খাইয়ো!
না না মেসো, আজই তোমাদের খাওয়াতে চাই! এখানে যে কোনো বাজেটের মধ্যেই লাঞ্চ, স্ন্যাক, ডিনারের ব্যবস্থা রয়েছে! আমি এর মধ্যে অনেক ইনফরফেশন পেয়ে গেছি। ফার্স্ট এবং সেকেণ্ড ফ্লোরে বুফের ব্যবস্থা। একদম টপে রয়েছে ‘শ্যাম্পেন বার’। আর ওদিকটায় ‘ম্যাকারুণ বার’। কেক, কফি, চকোলেট, লেমন, স্ট্রবেরি ড্রিংকস, সব আছে।
রেস্টুর্যান্টের নামটি ভারি অদ্ভুত- ‘58 Tour Eiffel'। টেবিলে বসিয়ে হোস্টেস খাবার অর্ডার নিয়ে গেলো। ট্রাউট স্টেক। মাশরুম আর বিভিন্ন হার্ব দিয়ে ম্যাশড পট্যাটো। চিকেন ফ্রাই। চিজ কেক। পাশের টেবিলেই আট জনের একটি গ্রুপ বসেছে। বিস্তর কথা বলছে তারা। যার একটি শব্দও মর্মগত হচ্ছে না। দুটো শব্দ কয়েকবারই উচ্চারিত হতে শুনলাম-
হেলিক্স এ্যাসপারসা! হেলিক্স পোমেশিয়া!
কণিষ্ক দুষ্টমিভরা চোখে তাকালো-
মামণি, ওগুলোর অর্ডার দেবো তোমার জন্য?
শুচির গলায় যথারীতি শাসনের সুর ধ্বনিত হলো-
পাপান, এখন জোক করো না! শুনতে পেলে কী ভাববে?
কী ভাববে? আমি তো বাংলায় বলছি।
শুচি সাবধানে ফিসফিস করলো মুখের ওপর ডান হাত চেপে রেখে-
মামণি, ওরা ল্যাণ্ড স্নেইল (মাটিতে চরে বেড়ানো বড় শামুক) খাচ্ছে। এটা ওদের সবচাইতে প্রিয় খাবার! বছরে ত্রিশ হাজার টন রান্না হয় এদেশে!
প্রতিটি ফ্লোরেই ব্যবসায়িক দোকানপাট। চার তলার একটি রুমে ঘুরতে গিয়ে চোখে পড়লো পাঁচ ছয় বছরের একটি নাদুসনদুস বালক বায়না ধরেছে ‘জুরাসিক রেক্স’ এর একটি সেটের জন্য। ডাইনোসর নিয়ে ছোটদের কল্পিত পৃথিবীর সীমানা ক্রমেই বেড়ে চলেছে বিশ্ব জুড়ে। অতএব খেলনাটি পাওয়ার জন্য তার ছোট্ট অন্তরে ব্যাকুলতার অবধি নেই। অশ্রুভারে টলমল করছে আয়ত দুটি চোখ। কিন্তু বাবা বড় অনড়। বার বারই হিসহিস করে বলছে-
কক্ষনো নয়! ১০৯ ইউরো এর জন্য খরচা করা যাবে না! তুমি অন্য কিছু নাও!
বেচারা এবার অনিঃশেষ আকুতিতে তাকিয়েছে মায়ের মুখে। নীরব হয়ে আছে তরুণী। মনে হলো, স্বামীকে অতিক্রম করার মানসিক জোর সে অর্জন করতে পারেনি। ছেলের বেদনায় মায়ের অন্তরও টলমল করছে কিনা কে জানে। শুচি এসে দাঁড়ালো-
তুমি এখনও কী করছো এখানে? আমরা লিফটে চড়তে গিয়ে দেখি তুমি নেই! তাড়াতাড়ি সব দেখে নিতে হবে তো? ট্রেনের সময় হয়ে যাচ্ছে যে!
ওই সব দোকানগুলো ঘুরে ঘুরে দেখছিলাম!
এখন সময় নেই! টপ টাওয়ারে এখন আমরা টেলিস্কোপ দেখতে যাচ্ছি! তাড়াতাড়ি চলো!
টেলিস্কোপ? ওখানে কি অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ব্যাপার স্যাপার আছে নাকি?
পাপান তো বলছে, ওখানে গিয়ে নাকি বড় সারপ্রাইস দেবে!
কেবল টেলিস্কোপ সম্পর্কেই নয়, ওখানে গিয়ে আইফেল টাওয়ারের অনেক অজানা ইতিহাসও জানা গেলো। ১৮৮৫ খ্রীষ্টাব্দে এর নির্মাণ পরিকল্পনার ডিজাইন করেছিলেন স্থপতি এবং প্রযুক্তিবিদ গুস্তভ ইফে (Gustave Eiffel)। তাঁর নামানুসারেই মনুমেন্টের নামকরণ ‘আইফেল টাওয়ার’। নির্মাণ কাজে সে সময় খরচ হয়েছিল, ৭৭৯৯৪০১৩১ ফ্রেঞ্চ গোল্ড ফ্রাঙ্কস (স্বর্ণমুদ্রা)। অর্থাৎ তখনকার ১৫ লাখ মার্কিন ডলার। কথা ছিল, কুড়ি বছর ভেঙে ফেলা হবে। কিন্তু অসম্ভব জনপ্রিয়তার কারণে আইরণ লেডি এখনও স্বমহিমায় ফ্রান্সের বৃহত্তম সংখ্যক ট্যুরিস্ট আকর্ষণ করে। প্রথম এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আইফেল টাওয়ার মিলিটারি নেটওয়ার্কের কাজে ব্যবহৃত হয় ওয়ারলেস স্টেশন ব্যবহার করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এলিভেটর ক্যাবল কেটে ফেলা হয়েছিল, জার্মান সৈন্যদের আক্রমণ বাধাগ্রস্ত করার জন্য। মহাকাশ গবেষণার জন্যও এখানে রয়েছে মহাকাশ পর্যবেক্ষণ গবেষণা কেন্দ্র।
কয়েকজন সম্ভ্রান্ত চেহারার নারী-পুরুষ ‘শ্যাম্পেন বারের’ উন্মুক্ত মেঝের চেয়ারে বসে সরাব পান করছেন দরবারী মেজাজে। প্রত্যেকের চোখের ওপর কালো স্নানগ্লাস। চোখেমুখে আর্য গরিমার ভাবগাম্ভীর্য। সরাব পান করেও মাতাল হওয়া চলবে না, এমনই এক সীমারেখা যেন টেনে রেখেছেন আচরণে। নির্মল আকাশে শক্তির তেজে মহীয়ান সূর্যটা জ্বলছে। অফুরন্ত আলোর জোয়ারে পুরো প্যারিস নগরীকে চোখে পড়ছে সবার। কয়েক পা সামনে এগিয়ে আইরণ টাওয়ারের শরীর ছুঁয়ে নিচে তাকাতেই এক অদ্ভুত রক্তের স্রোত বয়ে গেলো সারা শরীর শিরশিরিয়ে। মনে হলো কী এক ভয়ংকর শূন্যতায় যেন ঝুলে রয়েছে মনুমেন্টটা। ঘোষের কথা কানে এলো-
বাপরে! কী সাংঘাতিক স্ট্রাকচার!
কণিষ্কর কথা শুনতে পাচ্ছি-
এর ওয়েট জানো? দশ হাজার একশো টন! সাত বছর পর পর হোল টাওয়ারটাকে পেইন্ট করা হয় ফ্রেশ রাখার জন্য। তার জন্য এ্যাপ্রোক্সিমেটলি ষাট টন পেইন্ট কালারের দরকার হয়। কুড়ি হাজারের ওপর লাইট বাল্ব রয়েছে এর গায়ে। জেভিয়ার বলছিল, রাতেরবেলায় শিন নদীর পারে টাওয়ার খুব গর্জিয়াস লাগে দেখতে!
ঠিক আছে, এরপরে একবার না হয় রাতেই দেখা যাবে!
সেটা কি আর হবে মেসো? চলবে…
দীপিকা ঘোষ
ওহাইয়ো, আমেরিকা।
ইউরোপের পথে পথে (চোদ্দ) -দীপিকা ঘোষ
By Ashram |
প্রকাশের তারিখ October 4, 2019 |
দেখা হয়েছে : 1775
আরও পড়তে পারেন
Comments
John Doe: Great article!
Jane Smith: Loved this story.