অটোয়া, রবিবার ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

শোধ - হাসান কবীর

By Ashram | প্রকাশের তারিখ July 17, 2020 | দেখা হয়েছে : 1154
শোধ - হাসান কবীর

     জ বুধবার। হাট বার। গ্রীষ্মের পড়ন্ত বিকেল। ভাংতি বাজার। হাট শেষে ক্লান্ত ক্রেতা-বিক্রেতারা বাড়ির পথে পা বাড়িয়েছে। এমন সময় অস্থায়ী কাপড় গল্লিতে বাজারের চিরচেনা পাগলীটার সামনে তার সমবয়স্কা এক ভদ্রমহিলার লাশ দেখে ভীড় জমায় কৌতুহলী জনতা। লাশকে সামনে রেখে পাগলীটা অবুঝ শিশুর মত নির্বাক মুখে বসে আছে। অপলক নয়নে তাকিয়ে আছে লাশটার দিকে। যেন অবুঝ শিশু খেলার বাসর সাজিয়ে সে বাসর উপভোগ করছে।
     সেই পাগলীকে ঘিরে সবাই ভীড় করে গোলাকার হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। যেন সাপের খেলা দেখানোর আসর বসেছে। শুধু কি দাঁড়িয়ে আছে, রাজ্যের নানা কথা জুড়িয়ে দিয়েছে তাকে ঘিরে। এতদিনতো এ পাগলীকে ঘিরে কেউ এভাবে দাঁড়ায়নি। বিগত প্রায় বছর পনের যাবৎ এ বাজারে পাগলীটা ঘুরে বেড়াচ্ছে। কেউ কিছু দিলে খায়, নতুবা উপোসই করে। কিন্তু কারো কিছুতে হাত দেয় না। শুধু অনুসন্ধানী চোখে কাকে যেন হন্যে হয়ে খুঁজে বেড়ায়। দিন শেষে কোথায় যেন ফিরে যায়। আবার বুধবার এলে আসে। এভাবেই কাটছে তার দিনলিপি।
     আজ তাকে ঘিরে মানুষের কোলাহলের অন্ত নেই। মাথা নিচু করে বসে আছে পাগলী। মাঝে মাঝে মাথা তুলে উপস্থিত মানুষের দিকে তাকায়। কিন্তু আজ তার চোখে সেই চিরচেনা অনুসন্ধানী ভাবটি নেই। আজ তার চোখ শান্ত-সুধীর। কোন এক চিরকাঙ্খিত প্রাপ্তিতে যেন তার পরিতৃপ্ত অন্তরের ভাবটা তার চোখে মুখে আলোর দ্যুতি হয়ে ঠিকরে পড়ছে। একটা পরিতৃপ্তির হাসি তার শুষ্ক ঠোঁটের কোণে বসন্তে বৃক্ষের পাতা ঝরে নতুন পরাগ মেলার মতই দেখাচ্ছে। সেই সাথে নিচের ঠোঁটের কোণে কাঁঠালের পাতা ছিঁড়লে যেমন আঠা বেরোয়, তেমনি করে রক্তকণা গড়িয়ে পড়ছে।
     ইতোমধ্যে ঘন হুইসেল বাজিয়ে পুলিশের গাড়ি এসে থামে। গাড়ি থেকে পঙ্গপালের মত লাফিয়ে নামে কয়েকজন পুলিশ সদস্য। বাঁশী বাজিয়ে এলাকায় উত্তাপ ছড়াতে থাকে। পুলিশের বাঁশী আর লাঠির ধাক্কায় একটা পাশ খালি হলে মজমার ভেতরের দৃশ্যটা পরিস্কার হয়ে উঠে তাদের কাছে। পাগলীটা একটা লাশ সামনে নিয়ে বসে আছে। শরীরের পরিধেয় ছিঁড়ে গেছে। একটা চোয়াল ফুলে উঠেছে পাগলীটার। নিচের ঠোঁট থেকে রক্ত ঝরছে। লাশটার শরীরের আঘাতের চিহ্ন বলতে গলায় একটা দাগ। দাগটাই জানান দিচ্ছে মহিলাটিকে কণ্ঠরোধে হত্যা করা হয়েছে।
     পুলিশ সদস্যরা লাঠিসহ দুই হাত দুদিকে প্রসারিত করে ভেতরটা আরো ফাঁকা করে দিলো। জনবৃত্তের একটা পাশ ফাঁকা করে দিলে সে জায়গা দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে পুলিশ অফিসার কিসমত। ভেতরে ঢুকে তিনি তথ্য তালাশ শুরু করেন। কিভাবে এমন হলো জানতে চান উপস্থিত জনতার কাছে। কেউ কিছু বলতে চাইলো না। পুলিশি বিষয় বলে কথা। কোনটা বললে কোন বিপত্তি ঘটে কে জানে? তাই দেখেও আজকাল সবাই না দেখার ভান করে অনেক কিছুই চোখের নদীতে ডুবিয়ে রাখে। কিন্তু কৌতুহলী ভীড় কমে না।
     হঠাৎ ভীড় ঠেলে এক কিশোরী এগিয়ে আসে। বয়েস ষোল থেকে আঠারোর কোটায় হবে হয়তো। স্যার, আমি বলতে পারবো বলেই সামনে এসে বলতে আরম্ভ করে- আমি একটি দোকানে থ্রি-পিছ দেখছিলাম। মৃত লাশের দিকে ইশারা করে বলে- এমন সময় এই মহিলা আমার কাছে এসে বলে, আমার মত নাকি তার একটা মেয়ে আছে। তার জন্যে একটা জামা কিনবে। তাই আমার গায়ে জড়িয়ে মাপ দেখছিল। এ অবস্থায় হঠাৎ এই পাগলীটা কোত্থেকে এসে বেশ কয়েকবার এ মহিলার দিকে তাকায়। বেশ কয়েকবার দেখে ‘পাইছি তোরে’ বলে তার গলা চেপে ধরে। এমন অবস্থা দেখার জন্যে আশেপাশের আমরা কেউ প্রস্তুত ছিলাম না। ঘটনা দেখে আশেপাশের সবাই পাগলীর হাত থেকে মহিলাকে ছাড়ানোর আপ্রাণ চেষ্টা করেছে। পাগলীকে কেউ কেউ কিল-ঘুষি পর্যন্ত দিয়েছে। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি মহিলার। মুহুর্তের মধ্যেই সে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। তারও অনেক পরে পাগলী মহিলাকে ছাড়ে।
     পুলিশ অফিসার মেয়েটির বয়ান রেকর্ড করেন। আরো প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ চান তিনি। কিন্তু সৎ সাহসী কেউ এগিয়ে আসেনি। এবার তিনি পাগলীর দিকে তাকান। পাগলী বরফের মত ঠাণ্ডা মেজাজে বসে আছে নির্ভাবনায়। যেন কিছুই হয়নি। কিছুই ঘটেনি এখানে। পাগলীর কাছে ঘটনার সত্যটা জানতে চান। পাগলী নীরব। বার বার জিজ্ঞাসায় বিরক্তি বোধ করে পাগলী। শেষে ক্ষেপে গিয়ে চিৎকার করে বলতে থাকে- হ, আমিই মারছি শয়তানিরে।
     পাগলীর চিৎকারে উপস্থিত সবাই থ হয়ে যায়। বন্ধ হয়ে এতক্ষণ চলতে থাকা কোলাহল আর ফিসফিসানি। পাগলী প্রচণ্ড জেদে দাঁত কড়মড় করে বলতে থাকে, আমি মারছি এই চুন্নিরে। পনের বছর ধইরা দেশের বাজারে বাজারে অলিগলিতে বিছাইরা আইজ পাইছি। অত দিন পরে পাইয়া ছাইরা দিমু চুন্নিরে। আমি শোধ নিমু না? দিছি, জনমের দেওয়া দিছি চুন্নিরে। অক্করে গোরুস্তান পাডায়া দিছি। অহন কবরে গিয়া চুরি করোক। ফেরেস্তার গুতানি খাকগা। বলতে বলতে হাপিয়ে উঠে পাগলী।
     উপস্থিত সবাই বুঝতে পারে পাগলীর সাথে পূর্ব পরিচয় রয়েছে মৃত মহিলার। আর সেই পরিচয়টা যে সুখকর নয়, তাতো বর্তমান ঘটনাই বলে দিচ্ছে। পুলিশ অফিসার অবস্থা বুঝে পানি এনে দিতে একজনকে ইশারা করেন। দোকান থেকে একটা পানির বোতল নিয়ে  এসে অফিসারের হাতে দেয় সে সদস্য। অফিসার পানির বোতলের মুখ খুলে পাগলীর দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়ে বলেন- খান, একটু পানি খান।
     পাগলী হাত বাড়িয়ে পুলিশ অফিসারের হাত থেকে পানির বোতল নিয়ে পানি পান করে। এক ঢোকে অনেক পানি পান করে। কয়েক ঢোকে দেড় লিটারের বোতলটা খালি করে ফেলে সে। পানি পান করে একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে। যেন কয়েক যুগের জমানো একটা কাজ সুচারুরূপে সমাপ্ত করতে সক্ষম হয়েছে সে। খালি বোতলটা ফেলে দিয়ে চোখ তুলে তাকায় উপরের দিকে। চোখ ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখে ভীড় জমা লোকগুলোকে। আর পরিহাসের হাসি হাসে। হাসতে হাসতে বলে- কোন অপরাধ না করে আইজঅ মাইর খাইছি। সেদিনঅ মাইর খাইছি। আমার কপালে খালি মাইর আর মাইর। সাড়ে তিন আত শইল্লে মাইর ছারা আর কিছু নাই। আল্লা, আমার মত একটা মাইনসেরে অত কষ্ট কেম্বে দিলা? তোমার কি একটুও দয়া অইলো না? বলে আবারও চোখ ঘুরিয়ে চারপাশটা দেখে নেয়। বুঝতে পারে তাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাবার ব্যবস্থা মোটামুটি শেষ। লাশটা বহন করে নিয়ে যাবার জন্যে বাঁশের চাটাই, বাঁশ আর নীল পলিথিন কাগজ নিয়ে আসা হয়েছে।
     পুলিশ অফিসার কোমর থেকে হাতকড়া খুলছে দেখে পাগলী আবারও পরিহাসের হাসি দেয়। হেসে বলে- অত অস্তির অইছেন কেরে দারোগা সাব। আপনে কি মনে করছেন, আমি পলামু? না, আমি পলামু না দারোগা সাব। আমি পলামু না। অনেক দিন ধইরা যেই কামডা করবার লাগি পাগল অইয়া বাজারে বাজারে ঘুরতাছি, আইজ হেই কামডা শেষ করছি। অনেক পরিশ্রম অইছে কামডা করতে। তঅ যে করতে পারছি। আমারে একটু জিরাইতে দেন দারোগা সাব। একটু জিরাইতে দেন।
     পুলিশ অফিসার বুঝতে পারেন তার মাঝে এখন আর কোন আগ্রাসী ভাব নেই। নেই উপস্থিত কারো উপর চড়াও হবার সম্ভাবনাও। দৌড়ে পালানোর পথতো বন্ধই। তাই একটু থামেন। পাগলী বলে- দারোগা সাব, হেদিনঅ অনেক পরিশ্রম করছি, আইজঅ। আইজ কামডা সারতে পারলেঅ হেদিন পারি নাই। সাক্ষীদাত্রী মেয়েটির দিকে তাকিয়ে বলে, যদি পারতাম, তাইলে আমার কইলজার ধন আইজ এই মাইয়্যাডার লাহান ডাঙ্গর অইতো। পারি নাই এই চুন্নির লাগি। বলেই থুথু ছুঁড়ে মারে লাশটার মুখে। পুলিশ সদস্যরা তখন লাশটাকে বাঁশের চাটাইয়ে মুড়ে দিতে ব্যস্ত।
     পাগলী আবার বলতে আরম্ভ করে, আইজ থাইক্যা বছর বিশেক আগের কথা। আমার বড় বোনের বিয়া অইছিল এক রিক্সাওলার লগে। হে আছিল আইলসা। একদিন কাম করলে তিন দিন হুইত্যা থাকতো। বইনে কিছু কইলে বইনেরে মারতো। বইনের মাইর খাওন দেইক্যা মনে মনে কইছিলাম জীবনে বিয়া বইতাম না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ঘরের মাইনসের লগে কুলায়া উঠতে পারি নাই। এক দিনমজুরের লগে আমারে বিয়া দিয়া দিল। রাগে অভিমান মিলায়া সংসার ভালোই চলতাছিল। এক বছর পরে আমরার একটা মাইয়্যা অইলো। নাম রাখলাম আলো। আমার জীবনডারে আলো কইরা দিছিল আলো মায়ে। আমার সংসারে কোনুকিছুর অভাব আছিল না। বাজার শেষ অইবার আগেই বাজার চইলা আইতো ঘরে। আলোর বাপের রোজগার কম থাকলেঅ আমরারের কষ্ট দিতো না কোনু সময়। সব সময় সুখে রাহার চেষ্টা করতো। ঘরে কোনু কিছু অভাব রাকতো না।
     শ্বশুড়-শাশুড়ি ছাড়া আলাদা বাসা আছিল। তহনঅ ভৈরবের হাটবার আছিল বুধবারে। প্রতি বুধবারে দেহি বাসার আশেপাশের বেডিতে দল বাইন্দা বাজারে আয়ে। বেডিতের মুহে বাজারের গপ্প হুনতে হুনতে কাইল অইয়া গেছি। আর বেডিতেঅ কইতে লাগলো, আমরা সপ্তাহ সপ্তাহ বাজারে যাই, আলোর মা এক সপ্তাহঅ বাজারে যা না। কিমুন মানুস! আলোর বাপে মনঅ আলোর মারে ভাংতি টেহা পয়সাঅ দে না। দিলেতো আমরার মতো মাইঝে মাইঝে বাজারে যাইতো। ইতা হুনতে হুনতে মন অয়া গেছেগা তিতা। বাজারে যাইতে মন চাইলো হেরার লগে। একদিন লগের বাসার বেডিরে কইলাম, আগামী বুধবারে আমিও তোমরার লগে বাজারে যামু। বেডি আমারে লগে আনতে রাজী অইল। পরের বুধবারে সহালে আলোর বাপ কামে যাওয়ার সময় কইলাম, একটা কথা কইতাম। কিছু মনে করবা নাতো? আলোর বাপ হাসিমুখে কইলো, কী কইবা কও? আমি কইলাম, আইজ বুধবার। আশেপাশের বাসার বেডিতে বাজারে যা, আমি কইছিলাম হেরার লগে একটু বাজারে যাইতাম। আমার কথা হুইননা আলোর বাপ গরম অইয়া গেলো। মেজাজ দেখাইয়া কইলো, ঘরেতো কোনুকিছুর অভাব নাই, তাইলে বাজারে যাইবা কেরে? যদি যাওন লাগে, হাটবার ছাড়া অন্যদিন আমি নিজেই নিয়া যামুনে কইয়া ঘর থাইক্যা বাইর অইয়া গেল।
     আলোর বাপ বাজারে যাওনের লাগি আমারে কোনু টেহা দিয়া গেল না। সে সকালে কামে গেলে সন্ধ্যায় বাসায় ফিরে। সে বাসা থেইক্যা যাওনের কিছুক্ষণ পরে ঐ মহিলা আইয়্যা বাজারে যাওনের লাগি ডাক দিল। আমি ঘরে থাকা আলোর বাপের জমানো টেহা লইয়া ঐ মহিলার লগে বাজারে আইলাম। বাজারে আইয়া ভীড়ের মাইঝে ঐ মহিলারে হারাইয়া ফালাইছি। দুই বছরের আলোরে কোলে লইয়া বাজারের ঘুরতাছি আর নানান জিনিস দেকতাছি। তখন আছিল শীতের দিন। মনে করছি বাজারে যহন আইছি, আলোর লাগি একটা  সুইটার লইয়া লই। সুইটার দোহানে যাইয়া আলোর লাগি সুইটার দেকতাছি। ইমুন সময় এই চুন্নি আইয়া কইলো, তোমার মাইয়্যাডার লাহান আমার একটা মাইয়্যা আছে। অত বড় অই। দেও দেহি হের গতরঅ লাগাইয়া আমার মাইয়্যার লাগি একটা সুইটার লই। এই কথা কইয়্যা আমার আলোর গায়ে একটা সুইটার পিন্দায়। দোহানদার কাস্টমার লইয়া ব্যস্ত দেইক্যা এই চুন্নি তাড়াতাড়ি চল কইয়্যা আমার আত ধইরা টান দেয়। আমার আলো তহন এই চুন্নির কোলে। আমি না বুইজ্যা চুন্নির লগে আডা শুরু করি। এমনই দোহানদার চোর চোর কইয়্যা আমরারে দেহায়া দেয়। চুন্নি আমার আলোরে ফালায়া দৌড় দেয়। আমি দৌড়ে গিয়া আমার আলোরে কোলে নিতে নিতে বাজাইরা মানুস আমরারে মারতে আরম্ভ করে। যে যেমনে পারে কিল-ঘুষি মারতে থাহে। বুকের লগে শক্ত কইরা ধইরাঅ হেদিন বাজাইরা মাইনসের আত থাইক্যা আমার আলোরে বাছাইতে পারি নাই। নিজে মাইর খাইছি। আমার আলো মাইর খাইতে খাইতে দুনিয়া থাইক্যা চইল্যা গেছে। হেদিনঅ আমি ইমুন কইরা আমার আলোরে নিয়া বইয়্যা আছিলাম। মানুস ভীড় জমায়া দেকছে। কিছুই করতে পারে নাই আমরার লাগি। খালি মাইর দিছে। সন্ধ্যায় মরা মাইয়্যা লইয়্যা বাসায় গেছি। আলোর বাপ আমারে মারতে মারতে ঘর থেইক্যা বাইর কইরা দিছে।
     হেদিন থেইক্যা দেশের বাজারে বাজারে পাগল অইয়্যা ঘুরতাছি আর এই চুন্নিরে বিছারতাছি। আইজ পাইছি। আমার আলোর মতই শক্ত কইরা ধরছি। আলোরে বাছাইতে ধইরা বাছাইতে পারি নাই। তয় চুন্নিরে মারতে ধইরা মারতে পারছি। কিন্তু এই বাজাইরা মানুসগুলা বড় অদ্ভূত। খালি মারে। বাঁচাতে চাইলেঅ মারে, মারতে চাইলেঅ মারে। এরা বুঝতে চায় না, খালি মারতে চায়। বলতে বলতে চোখ থেকে অশ্র“ফোটা গড়িয়ে মাটিতে পড়তে চায়। কিন্তু সে অশ্র“বিন্দুটি গিড়ে পড়ে তার হাতে পরানো হাত কড়ায়।

হাসান কবীর। ভৈরব, বাংলাদেশ

Share:

আরও পড়তে পারেন

Comments

John Doe: Great article!

Jane Smith: Loved this story.