আজব এক ভূখন্ডে
আজব এক সমাজে বাস করি মোরা
আসে বার বার প্রলয়ঙ্কারী তান্ডব,
শতাব্দীর মাঝে এক দু বার মহামারী।
মানুষ হয় দিশাহীন, বাঁচার প্রাণপন লড়াই
সুযোগ খুঁজে সন্ধানীরা,
আসে আসুক, বাড়ুক জীবনহানির উন্মত্ততা,
ওদের তো হবে পোয়াবারো।
রাষ্ট্র যন্ত্র দিবে ত্রান, ওরা হবে বেগবান
প্রতিনিধি প্রকাশ করিবার তরে,
কে পাবে আর কে পাবে না তাতে নেই ওদের জ্ঞান,
ওরা আছে সামলাবার অভিলাষে।
আসছে সামগ্রী টনে আর টনে,
বিলাচ্ছে যৎকিন্চিত জনে জনে,
বাকী সব মজুদ করে গুদামে,
আগত দিনের মুনাফায়।
চাল চুরি, তেল চুরি কতকি করে,
লুকিয়ে রাখে খাট পালংয়ের নিচে,
মজুদদার চোরদের অভিনব চাল,
সমাজটা করছে যেন মাতাল।
খেটে খাওয়া লোকজন,
বসে থাকে দিনক্ষন চাল ডালের আশায়,
না পেয়ে করছে বিলাপ পেটে আছে দায়,
অবরুদ্ধ ওরা নেই কোন কর্ম,
সমাজপতি, চোর, বাটপার তোদের নেই কি কোন ধর্ম?
দূর্যোগে হয় নাকাল মানব, সমাজ আর পরিবেশ,
সুযোগ খুঁজে সন্ধানীরা ভাবে আসলো দিন বেশ,
চৌর্যবৃত্তি চর্চা করবে গড়বে মূলধন,
প্রচার করবে গড়বে আগামীর বাংলাদেশ।
দেশপ্রেমের গান গায় ওরা সভাসমাবেশে,
ভাওতাবাজি, ভন্ডামিতে পারঙ্গম ওরা,
মিছে বাণী শুনিয়ে নেতা হয় তারা,
লুটপাটের তন্ত্রে দীক্ষিত থাকে সারাক্ষণ,
বলে বেড়ায় দেশপ্রেমিক তারা জানে সর্বজন।
কী আজব জাতি মোরা,
করি না প্রতিবাদ,
সয়ে যাচ্ছি অবিচার, অনাচার
প্রতিক্ষণে, প্রয়োজনে নচেৎ অপ্রয়োজনে।
হে বিধাতা- দমন করো,
চৌর্যবৃত্তির ধারক বাহক পাইক পেয়াদা,
ফিরিয়ে দাও শান্তি আার সুনীতি,
তোমার এ সাম্রাজ্যে্
থামিয়ে দাও মেহনতী কাঙালদের আহাজারি।
বেলাল উদ্দিন। সিলেট, বাংলাদেশ
মহামারী নয় যেন চৌর্যবৃত্তি চর্চা – বেলাল উদ্দিন
By Ashram |
প্রকাশের তারিখ April 18, 2020 |
দেখা হয়েছে : 837
আরও পড়তে পারেন
Comments
John Doe: Great article!
Jane Smith: Loved this story.