অটোয়া, রবিবার ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

টিটোন হোসেন’র দু’টি কবিতা

By Ashram | প্রকাশের তারিখ November 28, 2020 | দেখা হয়েছে : 951
টিটোন হোসেন’র দু’টি কবিতা

প্রতিমূর্তি
প্রভাতের পাত্রী হেথায় এসেছি বিন্দু ফোঁটায়,
সমীরণে বিকায় দু'কূল;অনুকূল-প্রতিকূল
আঁধার অকূলে মাগিবো জ্বলিবার জ্বালা
আহা!হৃদ গহীনে তলিয়ে যাচ্ছি আদিত্যনগর।
হে সখা; চলো যাই গঙ্গা স্নান-
বিন্দু ফোঁটা মোছার তরে তীরে হই ম্লান।

মোড়ানো মোমবাতি জ্বলছে একই অনল
চিতাসম চুলায় পোড়ায় কারে?
শরীর মরিল সয়ে; হৃদয় কোথায়?
একি হলো গঙ্গা মা তুমি তো অকূলপাথার,
হাবিলাষে হরি! উচ্ছ্বাসে মরি! হয়ে হত-বিহ্বল।

বিন্দু জলে জন্ম আবার নামিলাম অকূল,
পবিত্রতার প্রতিমূর্তি হইলে গঙ্গাজল,
এ আঁধার বিনে মনে সংশয় বিঁধে
হৃদয় হেরিলে শরীর কেনো ক্ষয়?
হে হৃদ সখা; এসো মিলি শাখে সব ভুল ভুলে।

শূন্যহাত
শুধিবো কেমনে সমপরিমাণ ঋণ
সূর্য তাপে পুড়িবে বিশ্বনিখিল,
হলো মনোহর যতো কলরব শুনি চারিদিক
মরিলাম ঋণে জন্মি ধরাধামে।

পথে পথে ঘুরি নগ্নপদে ধারি হস্ত অবরুদ্ধ
দোরে দোরে পাতি হস্ত ধরি তুলি, অসার দেহ;
কে দেবে আহার্য? কে দেবে মহার্ঘ?
যতো করাঘাত মনে দেয় ঘাত।

মাটিতে চুম্বি খানিকবাদে উপরি তুলি হস্ত,
মহাজন তুমি সৃষ্টিলে আমায়; শুধিবো কেমনে ঋণ?
মজলুম বেশে নিখিলে চলি শুকনো মুখখানি,
হেরিয়ে দৃষ্টি বিশ্বনিখিল করিলে দান মোরে।

যতো মাটিতে গড়িলে মোরে দাও সমপরিমাণ,
শুধিবো আমি শত ঋণ তোমার শত অপমান
যতোকাল যাবে রেখে যাবো সবই;
দিয়েছো যতো রেখে যাবো ততো; একাকী শূন্যহাত।

টিটোন হোসেন
প্রভাষক, ব্যবস্থাপনা
ধামরাই সরকারি কলেজ, ঢাকা

Share:

আরও পড়তে পারেন

Comments

John Doe: Great article!

Jane Smith: Loved this story.