একাকিত্ব
কখনো কখনো একা হই আমি
রক্ত-মাংস সব বিচ্ছিন্ন করে ফেলে
একাকিত্বের মজা লুটি ক্ষণিকের জন্যে।
আমার প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে জিজ্ঞেস করি
আমি ছাড়া তাদের অস্তিত্ব আছে কি না?
অবাক হই এই ভেবে যে, তাদের-
দার্শনিক ভাষ্যে আমি লা-জবাব হয়ে পড়ি
‘তুমি কে? তোমার অস্তিত্ব আমাদের ছাড়া
খুঁজে পাও কি না? মন ছাড়া আর তোমাদের
আছে কী বল? যা আছে সেটাও বহু ভোগ্যা
যেন প্রসারিনির প্রতি রাতের হাত-বদল।’
নিজেকে বুঝে না যারা, বুঝেনা-
কোন পঙ্ক-কীটের সাথে তাদের বসবাস
তাদের কখনো হয়না কো থাকা একা।
নিজের সাথে নিজের, তথ্যের সাথে তত্ত্বের-
সংঘর্ষ সভ্যতার বুকে হানে বাণ।
মানুষের নিঃসঙ্গ জীবন দেখ খুঁজে
পাবে না তাকে সে আছে ঘাপটি মেরে
হয়ে শত ভীড় আর কোলাহলের গান।
চোখের জল
বন্ধ দরজা গলিয়ে যে আছে শুয়ে
জানে শুধু সে কতটুকু ঘুম আর-
কতটুকু অশ্রু আছে মিশে।
বাইরের পৃথিবী ঘুমটুকুই দেখে-
দেখেনা তারা এইসব বদ্ধ মানুষেরও
আছে দুঃখ-বেদনা ও ঘূণে খাওয়া অতীত।
মানুষকে দেখে বিচারের সমৃদ্ধ ইতিহাস
কতটুকু সমৃদ্ধ! এই ইতিহাসেরও ইতিহাস আছে
আছে একজন মানুষের নিঃশেষ হবার ফিসফিসানি।
হে পৃথিবীর মানুষ, চোখ খুলে রাখ
চোখের জলের মূ্ল্য হোক তোমাদের কাছে অমূল্য।
আওরঙ্গজেব জুয়েল
শরীয়তপুর, বাংলাদেশ।
আওরঙ্গজেব জুয়েল-এর কবিতা
By Ashram |
প্রকাশের তারিখ August 5, 2020 |
দেখা হয়েছে : 1080
আরও পড়তে পারেন
Comments
John Doe: Great article!
Jane Smith: Loved this story.