তোমার কথা মত সব পরীক্ষায়
প্রথম বিভাগে পাশ করেছি বাবা।
তুমি বলতে, প্রথম না হলে কেউ নাকি
আমায় চিনবে না!
তোমার কথা রেখেছি বাবা।
এই রোগা পাতলা শরীর নিয়ে
কলকাতা থেকে আসাম বারবার
ছুটে বেড়িয়েছি - ঘর কুনো হয়ে বসে থাকলে
কেউ নাকি আমায় চিনবে না। তোমার
কথা রেখেছি বাবা।
তারওপর পত্র - পত্রিকাতে লেখালিখি,
নেট পাশ করা, গবেষণা করা
আর কলেজে পড়ানোর অভিজ্ঞতা-
সবই তো করলাম কিন্তু কি লাভ হল বাবা!
জীবনে তো কখনো মাঠে গিয়ে
খেলতেও দিলে না বাবা!
শুধু পড়াশোনা আর পড়াশোনা।
কখনও কোনো মেয়ের দিকে তাকানো যাবে না-
আমি কোনো মেয়ের দিকে তাকাইও না বাবা।
এত কিছু করে কি পেলাম বলতে পারো বাবা?
সাধনায় সিদ্ধি লাভ করতে গিয়ে নিজের জীবন টা একটু একটু করে শেষ করে দিয়েছি বাবা।
আজ সারা বাংলাতে চাকরির বাজার
দূর্নীতিতে ভরে গেছে।
অযোগ্যরা দিব্যি চাকরি পেয়ে যাচ্ছে।
শুধু নাম দিয়ে তো জীবন চলে না বাবা,
জীবন চালাতে দরকার হয় টাকা-
এটা কেন ছোটবেলাতে শেখাওনি বাবা?
নামের পেছনে ছুটতে ছুটতে
হয়তো আমার নাম থেকে যাবে
কিন্তু সেদিন হয়তো এ পৃথিবীতে
আমি থাকবো না বাবা!
পার্থ প্রতিম হালদার,
অতিথি অধ্যাপক, স্বামী বিবেকানন্দ কলেজ, আসাম।
শ্রীচরণেষু বাবা - পার্থ প্রতিম হালদার
By Ashram |
প্রকাশের তারিখ July 10, 2020 |
দেখা হয়েছে : 1111
আরও পড়তে পারেন
Comments
John Doe: Great article!
Jane Smith: Loved this story.