আমরা জানতে পারি
মোটেই আর চাই না শুনতে মরণ প্রহর কথা
মানুষের দু’টো হাতে আছে পরিযায়ী শ্রমের সখা,
খিদের হিসেব নেবে প্রজন্ম সকলের গুরুভার
ক্ষুধা তৃষ্ণার জবাবে কোন হিসেব নেই,
সামনে পেছনে চোখে পড়ে নিরূপায় নির্মমতা---
সহমর্মি মানুষের কথাগুলো ছুঁড়ে ফেলে হিংস্রতা।
কোন ভেঁড়া আর যায় না ঝর্ণার ধারে তৃষ্ণায়---
ঠিকুজি কুলুজির হিসেবে বেড়ে ওঠে হিংস্র সে বাঘ,
কোথায় জন্ম ছিলো কোথাও নেই সে রক্ত জন্ম দাগ
কর্পোরেট হাউসের বেচা কেনা বোঝেনা কোমল শব্দেরা---
এ সময়ের কথা জানে ভাঙা পাঁজরের ক্ষয় পরম্পরা
কৃষকের ঘরে জন্ম হলেও লেখেনি কৃষক কষ্ট কথা।
বিচ্ছেদ বাসনা পিঁড়ি পেতে বসে শুকনো থালা হাতে
ঘাস পদ্ম জমিন রাস্তায় অন্য চোখ অন্য রাহাজানি,
সিংহাসনে বসলেই মহামাতব্বর দূর্বাদল ও হাসে---
প্রকৃতি কালের ডাকে হা পিত্যেস লালন সময় একা,
চরাচর যতই স্নিগ্ধ হোক সুখী সুখী মুখে মহারানী---
শূন্য পথে রূদ্ধ ঘরে গোপন কথা আমরা জানতে পারি।
বাঁচার অর্থ কি
সমুদ্র গন্ধের লোলুপ বাসনা হার্মাদ রাহাজানি
তবুও অকাল সময় ডেকে গেছে মেঘের গর্জন,
রাম রহিমের ভয় ছিলো না রঙ রূপে নেই রানী
প্রতিদিন জানে মৃত্যুর আহ্নিক কালে নিষ্ক্রমন।
অহরহ ঘিরে আছে জড়িয়ে জীবন কাঁটাতার---
তেমাথানী বুদ্ধি জানে কোথায় লুকিয়ে ক্রন্দন,
রাত্রির পথে মুখ ঢাকা দানা কল হাতে হানাদার---
যত উঁচু মাথা নিরুত্তর মুখ কপাল খচিত চন্দন।
শূন্য পথে উড়ে যায় হা-হা হাসির কঠিন স্রোত---
কতবার জোড়াতালি ভাঙ্গে জন্ম সেতুর বন্ধকি,
মুশকিল সব দল নম্র সভা আড়ালে জন্মক্রোধ---
আত্মজনের কাছে সযত্নে থাক বাঁচার অর্থ কি।
বহুকাল ধরে আগলে রাখা রাজা সাজার বহর---
একই সাথে ভাঙ্গে অঙ্গীকার গ্রাম কিংবা শহর।
বিকাশ চন্দ,
মানসভূমি, কুমারপুর, কাঁথি, পূর্ব মেদিনীপুর,
পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
দু’টি কবিতা - বিকাশ চন্দ
By Ashram |
প্রকাশের তারিখ July 30, 2020 |
দেখা হয়েছে : 853
আরও পড়তে পারেন
Comments
John Doe: Great article!
Jane Smith: Loved this story.