এখানে একটি স্কুল ছিল, ওখানে হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয়, আর-
এই চত্বর ছিল প্রাণের স্পন্দনে মুখর
এইতো, দু'দিন আগেও
আর এখন...!?
না, কোনো প্রাকৃতিক দূর্যোগ নয়, মানুষের(?) ধ্বংস যজ্ঞ!
মুখোশ বদলাতে যতটুকু সময়
ওরা ফিরে ফিরে আসে স্বরূপে
ফিরে আসে কখনো দাস প্রথায়, কখনো তেলের বাজারে শিশুর রক্তের দরদামে!
ইতিহাস থেকে দস্যুরা কখনো ভালো কিছু নেয় না
ওরা জানে ক্ষৌরকর্ম, ওরা শিখে নেয় মারণাস্ত্র বানাতে
ওরা জানে না সভ্য হতে, ওরা জানে না মানুষ হতে!
ভারী আজ পারস্য-প্রাচ্যের বাতাস
আগুন আর ধোঁয়ার মিশেলে তপ্ত মাটি
আর্তনাদে সিক্ত বুকের জমিন!
মনুষ্যত্ব পছন্দ করে না আদিম বর্বর, করেনি কোনোদিন
সভ্যতার নামে অসভ্যতা, ধর্মের নামে অধর্ম, মুক্তির নামে নৃশংস হত্যাই ওদের ঐতিহাসিক ব্রত!
ওরা সত্যকে বিকৃত করে কর্পোরেট মিডিয়ার মুখে মুখে
ওরা ইতিহাসকে বিকৃত করে বেনিয়ার বাজারে!
সব শুরুর-ও শেষ আছে
পারস্যের যুদ্ধও থেমে যাবে একদিন
তবে মানুষ ভুলবে না কখনো ২৮শে ফেব্রুয়ারী ২০২৬
আর-ও অনেক শোকার্ত দিনের মতোই বর্বরতার চিহ্ন হয়ে মর্ত্যের বাতাসে ফিরে ফিরে আসবে এই দিন!
ওরা বদলে দিতে পারে অনেককিছুই
ওরা ধ্বংসের আগুনে পুড়ে ফেলতে পারে হাজার বছরে গড়া সভ্যতার চারুখাতা
কিন্তু ওরা জানে না মানুষের অন্তর
ভালোবাসা, বেদনার ক্ষরণ, দূর্বৃত্তের কৃতকর্মের প্রতি ঘৃণা, যেখানে অক্ষয় হয়ে থাকে অবিনাশী ভাষায়!
এখানে একদিন স্মৃতির সৌধ হবে
স্মৃতির মিনার হবে তোমাদের নামে নামে মিনাবের শিশু
নবকিশলয়ে দোল খাওয়া সবুজ পাতার মতো
পুষ্পিত শাখায় শাখায়, প্রজাপতির ডানায় ডানায় আবহমানকাল ধরে ঘুরে বেড়াবে অকালে ঝরে পড়া তোমাদের স্বপ্নেরা!
মানুষ কাঁদবে
কাল থেকে কালান্তরে নমিত হবে তাদের অন্তর তোমাদের জন্যে প্রার্থনায়, তোমাদের জন্যে ভালোবাসায়, মিনাবের শিশু
পৃথিবীর কোনো বর্বরেরই সাধ্য নেই তাকে মুছে ফেলে কোনোদিন!
xxxxx