জীবন যখন প্রশ্ন করে আর কতদূরে যাবে তুমি?
বুকের নিরক্ত ধ্বনি বিলয় শুধু অজ্ঞতা
শেষ বিকেলের রোদটুকু যাবার আগে বলেছিল
আর একটু বসো।
উদাস চিলের আকাশ ভরা স্বাপ্নিক পৃথিবীতে
তখনো সোনালী বিকেলের ওড়ার প্রত্যয় ছিল।
জোছনার ধোঁয়ার উপকূলে সহসা সে শব্দস্বর
পুঞ্জিভুত এখনো।
চশমার ফ্রেমে সে ধ্রুবদহন পৃথিবী ভাসে
অথৈ-অতুল সঞ্চরণশীল অনুভুতির দেহে।
মনে পড়ে তার কথা, যে আমাকে মনে রাখে নাই।
স্মৃতির ঝুলবারান্দায় ঝিঝি ডাকে ভরদুপুরে তাই
মননের বুক পকেটে পুঞ্জিভুত পরিচর্যাহীন রস!
একটু স্থিত হও। স্থির হও।
চিত্রচাঞ্চল্যকে ঘুমিয়ে পড়তে দাও।
বন্দরে একটু নির্জনতা নামুক। নিস্তব্দতা নামুক।
মেঘে মেঘে ভেসে ওঠে তন্দ্রাহত ধান
অমৃতের ইন্দ্রজালে ঘোলা হয় পরিদৃশ্যমান।
দৃষ্টিতে বৃষ্টি আসে তবু ভেজে না কামরাঙাবন!
অস্তাচলে অন্ধকার নামে
অন্ধকারেও দৃশ্য রচিত হয়! অন্ধকার বড় ভয়ঙ্কর
চেনাদৃশ্য অন্তর্হিত হয়! শব্দ তরঙ্গ দিগ্বিদিক ছুটতে থাকে!
এখানে মৃত্যুর শব্দ জীবনের মতো গম্ভীর
এখানে সঙ্গীত নেই, যেনো বিষমাখা তির!
মোঃ জিল্লুর রহমান প্রামানিক
গাইবান্ধা, বাংলাদেশ
ধ্রুবদহন - মোঃ জিল্লুর রহমান প্রামানিক
By Ashram |
প্রকাশের তারিখ October 1, 2020 |
দেখা হয়েছে : 828
আরও পড়তে পারেন
Comments
John Doe: Great article!
Jane Smith: Loved this story.